যাহ দুষ্টু
বাংলার সেরা কৌতুক, মজার গল্প আর হাসির খোরাক। প্রতিদিন নতুন নতুন কৌতুক পড়ুন আর হাসতে হাসতে দিন কাটান।
কুকুরটাতো জানে না
রোগী (টেলিফোনে): ডাক্তার সাহেব, আমাকে কুকুর কামড় দিয়েছে। ডাক্তার: এখন বাজে রাতের ১২টা। আপনি জানেন না যে আমার চেম্বার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা। রোগী: ডাক্তার সাহেব, আপনার চেম্বারের সময় আমি তো জানি কিন্তু ওই কুকুরটাতো জানে না।
জনপ্রিয় ক্যাটাগরি 🎭
📰 সর্বশেষ কৌতুক
ভুল
১ম বন্ধু: দোস্ত, ইরিনার সঙ্গে তোর বিয়ের কী খবর? ২য় বন্ধু: সম্পর্কটা ভেঙে গেছে রে। আমার তো খুব একটা টাকা-পয়সা নেই, তাই। ১ম বন্ধু: কেন, তুই তোর ধনী চাচার কথা বলিসনি যিনি তোকে খুব দেখতে পারেন। ২য় বন্ধু: বলেছিলাম তো। সেটাই তো ভুল হয়েছে। ইরিনা এখন আমার চাচী হতে চলেছে।
মশার ছেলে
এক মশার ছেলে দিন-রাত শুধু টোঁ টোঁ করে ঘুরে বেড়ায়। তখন... মশার মা: দিন-রাত আড্ডা মেরে না ঘুরে ডেঙ্গু আর চিকুনগুনিয়ার কোর্সগুলো করে ফেললেই তো পারিস। সমাজে দামটা সেরকমই বাড়ত।
রোমান্টিক পাত্র
এক যুবক বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে এসেছে... পাত্র: আপনার সাথে আমি বৃষ্টিতে ভিজতে চাই। পাত্রী: ওয়াও, আপনি কী রোমান্টিক! পাত্র: ঠিক তা নয়, মেকআপটা ধুয়ে গেলে আপনার আসল চেহারাটা বুঝতে পারতাম আর কি।
বিবাহিত লোকের ভাইরাস
একবার ডাক্তার এক বিবাহিত লোকের স্মৃতিশক্তি পুরোটা ফরম্যাট করে দিলেন। তারপর... ডাক্তার: এখন আপনার কি কিছু মনে পড়ছে? বিবাহিত: কিছুই তো মনে করতে পারছি না। শুধু মনে পড়ছে একটা নাম ‘ ’। ডাক্তার: পুরো হার্ডডিস্ক ফরম্যাট করে দিলাম। তারপরও ভাইরাসটা রয়ে গেল!
স্বামী ও সুন্দরী নার্স
এক মহিলা রোগী পুরুষ ডাক্তারের চেম্বারে... মহিলা রোগী: ডাক্তার সাহেব, আমার স্বামীকে আপনি আপনার চেম্বারের ভিতরে আসতে বলুন। ডাক্তার: ছি, ছি, আপনার স্বামীকে ভিতরে আসতে হবে কেন? আপনি আমাকে যেরকম মনে করছেন আমি মোটেই সেরকম নই। মহিলা রোগী: না, না ডাক্তার সাহেব। আমি আপনাকে খারাপ মনে করছি না। আমি আমার স্বামীকে চেম্বারের ভিতরে আনতে বলছি কারণ তা না হলে সে আবার বাইরে আপনার সুন্দরী নার্সের সঙ্গে গল্প শুরু করে দেবে।
ছয়বারে একটা শাড়ি!
বিচারক: তুমি দোকানটাতে ছয়বার ঢুকেছিলে কিন্তু শাড়ি চুরি করেছো মাত্র একটা। একটা শাড়ি চুরি করার জন্য ছয়বার ঢুকেছিলে কেন, ঘটনাটা কী বলোতো? চোর: স্যার, ছয়বার ঢুকেছি সত্য। বউয়ের পছন্দ না হওয়ায় পাঁচবার ঢুকেছি শাড়ি বদলাতে।
বসের সমস্যা
এক অফিসের বস কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সবসময় নানা রকমভাবে হেনস্তা করেন। এ কারণে বিরক্ত হয়ে একদিন দুই সহকর্মী আলাপ করছিলেন... ১ম সহকর্মী: আচ্ছা ভাই, আমাদের বসটা এত ত্যাঁদড় কেন বুঝলাম না। ২য় সহকর্মী: মনে হয় উনাকে শীতকালে সকালবেলা খালি পেটে চিনি দিয়ে আনারস খাওয়ানো হয়নি। ১ম সহকর্মী: এভাবে আনারস খাওয়ালে কী লাভ হতো? ২য় সহকর্মী: তাহলে ক্রিমির উপদ্রবটা কম হতো আর উনি আমাদেরকে এভাবে জ্বালাতেন না।
স্কুলে কেন দেরি
ছাত্র দেরিতে ক্লাসে আসায়... শিক্ষক: কী ব্যাপার, ক্লাসে আসতে এত দেরি হলো যে? ছাত্র: কী করব, স্যার। বাসা থেকে বের হবো এমন সময় ভাইয়া আর ভাবীর সেকি ঝগড়া। শিক্ষক: তা তুমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঝগড়া না দেখে ক্লাসের দিকে রওনা দিলেই তো পারতে। ছাত্র: উপায় ছিল না, স্যার। আমার এক পাটি জুতা যে তখন ভাবীর হাতে।
সমস্যাই নয়
স্ত্রী: তুমি মানিব্যাগে আমার ছবি রাখো কেন? স্বামী: অফিসে যখন কোনো সমস্যায় পড়ি তখন তোমার ছবি দেখি আর সমস্যাই থাকে না। স্ত্রী: তাহলে দেখো আমি তোমার কী উপকার করি। স্বামী: আরে ঠিক তা নয়। যখন তোমার ছবি দেখি তখন অন্য সমস্যাগুলোকে আর সমস্যাই মনে হয় না।